চার দশকের ঐতিহ্য, একটি পরিবার, একটাই প্রতিশ্রুতি — খাঁটি স্বাদ
বাঙালির যেকোনো উৎসব, পার্বণ কিংবা অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টি ছাড়া যেন চলেই না। আর খাঁটি দেশীয় স্বাদের মিষ্টির কথা বললে যে কয়েকটি নাম সবার আগে মনে আসে, তার মধ্যে অন্যতম "বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার"। বিগত চার দশক ধরে মানসম্মত স্বাদ এবং ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে এটি বাংলাদেশের মিষ্টিপ্রেমীদের কাছে একটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও জনপ্রিয় নাম।
শুধু মিষ্টি নয়, এটা ঐতিহ্য।
খাঁটি ঘি, খাঁটি দুধ, আর বিক্রমপুরের আসল রেসিপি — ১৯৮১ সাল থেকে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম।
এই বিখ্যাত মিষ্টি চেইনের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮১ সালে। এর প্রতিষ্ঠাতা রমেশ চন্দ্র ঘোষ মিষ্টি তৈরির নিখুঁত কারিগরি ও সততা নিয়ে প্রথম দোকানটি চালু করেন কলাবাগানে, যার তৎকালীন নাম ছিল "দেশপ্রিয় মিষ্টান্ন ভান্ডার"। পরবর্তীতে মিষ্টির তুমুল জনপ্রিয়তা এবং ব্যবসার প্রসারের সাথে সাথে এটি "বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার" নামে নতুন রূপ নেয়। ঢাকার কলাবাগান প্রধান শাখাটিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে রমেশ চন্দ্র ঘোষের পরবর্তী প্রজন্ম অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই পারিবারিক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
প্রতিষ্ঠাতা রমেশ চন্দ্র ঘোষ মিষ্টি তৈরির নিখুঁত কারিগরি ও সততা নিয়ে প্রথম দোকানটি চালু করেন — তখন নাম ছিল "দেশপ্রিয় মিষ্টান্ন ভান্ডার"।
মিষ্টির তুমুল জনপ্রিয়তা আর ব্যবসার প্রসারের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানটি নতুন রূপ নেয় — বিক্রমপুরের আসল রেসিপির পরিচয়েই।
কলাবাগান প্রধান শাখাকে কেন্দ্র করে রমেশ চন্দ্র ঘোষের পরবর্তী প্রজন্ম অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই ঐতিহ্য বয়ে নিয়ে চলেছেন।
লক্ষাধিক সন্তুষ্ট ক্রেতার আস্থায় — রসগোল্লা, সন্দেশ, চমচম, কাঁচাগোল্লা থেকে প্রতিদিনের টাটকা মিষ্টি, যা একবার খেলেই মাথায় গেঁথে যায়।
"মিষ্টি তৈরির নিখুঁত কারিগরি ও সততা" — এই দুটি মূল্যবোধ নিয়ে ১৯৮১ সালে যে দোকানটি শুরু হয়েছিল, আজও প্রতিটি ব্রাঞ্চে সেই একই নীতি মেনে চলা হয়।
বিক্রমপুরের আসল রেসিপি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অক্ষুণ্ণ রেখেছি।
খাঁটি ঘি ও খাঁটি দুধ ছাড়া আমাদের কোনো মিষ্টি তৈরি হয় না।
প্রতিদিন সকালে তৈরি হয় আমাদের প্রতিটি মিষ্টি, বাসি রাখা হয় না।